Wednesday, 28 October 2020


 কত লোক তা হিসেব করার দরকার নেই....



 রাতের আকাশে যদি চাঁদ না থাকে,

তাহলে বলো আকাশ কেমন করে হাসবে,
আমার মনের সীমানায়
তুমি যদি না থাকো,
আমার মন কি ভালো থাকবে?


 স্বপ্ন দেখা কারো ভাগ্যের ব্যাপার নয়,

স্বপ্ন দেখাটা আপনার জন্মগত অধিকার

 

চাকরি ছেড়ে ব্যবসা:-
চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই নিশ্চিত হবেন !!!
একটি নিশ্চিন্ত নিরাপদ জীবন ছেড়ে, আরও বড় সাফল্যের আশায় অনিশ্চয়তার পথে পা বাড়ানো নি:সন্দেহে একটি সাহসী কাজ। এই সাহস করার কথা ভাবতেই পারে পৃথিবীর অল্প কিছু মানুষ। এবং আপনি যদি তাঁদের একজন হন, তবে বলাই যায় আপনি একজন অসাধারন মানুষ।
একটি নতুন উদ্যোগের ফলাফল কেমন হবে তার অনেকটাই সেই ব্যবসায় পুরোপুরি নিয়োজিত হওয়ার আগেই বোঝা যায়। যদি অবস্থা ভালো মনে হয়, তবে আপনি আপনার চাকরির নিরাপত্তা ছেড়ে স্বাধীন ব্যবসার চ্যালেঞ্জে ঝাঁপিয়ে পড়তেই পারেন।
কিন্তু কিভাবে বুঝবেন যে এখন চাকরী ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি ব্যবসায় নামার সময় হয়েছে?
এক্ষেত্রে নিচের ১১টি বিষয় নিশ্চিত হয়ে তবেই চাকরী ছাড়ুন:

১. একটি সত্যিকার ভালো পন্য বা সার্ভিস আপনার হাতে আছে।
০২. আপনার সত্যিকার ক্রেতা সৃস্টি হয়েছে
০৩. দীর্ঘ সময় ব্যবসা চালিয়ে নেয়ার মত মূলধন আপনার কাছে জমা আছে
০৪. চাকরির চেয়ে ব্যবসাটি বেশি উপভোগ করছেন
০৫. নিশ্চিত হোন যে আপনার পেছনে কোনও বড় প্রতিযোগী লাগেনি
০৬. নিশ্চিত হয়ে নিন ব্যবসাটি ৩ থেকে ৫ বছর টিঁকে থাকবে
০৭. নিশ্চিত হয়ে নিন আপনি সত্যিই “নিজেই নিজের বস” হতে পেরেছেন
০৮. আপনি আপনার কাজের ক্ষেত্রে একজন মাস্টারে পরিনত হয়েছেন
০৯. আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রটিতে আপনার পর্যাপ্ত বন্ধু ও শুভাকাঙ্খী আছে
১০. প্রয়োজনে পরামর্শ দেয়ার জন্য ‘গুরু’ এবং পরামর্শক আপনার আছে
১১. চাপ ও আঘাত সামলানোর মত যথেষ্ঠ মানসিক দৃঢ়তা আপনি অর্জন করেছেন


Thursday, 22 October 2020


 B.P. RAJA CHUWDHORY: B.P. RAJA CHUWDHORY (bprajachuwdhory.blogspot.com)


এক সময় বিল গেটস একটি ব্যাংক থেকে কিছু লোন চেয়েছিলেন।

কিন্তু ব্যাংক তাঁকে লোন দেয়নি।
সেই ছেলেটি একদিন সেই ব্যাংকটিই কিনে নিয়েছিলেন।

ছেঁড়া শার্টের কারণে এন্ড্রু কার্নেগিকে পার্কে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
সেই বস্তির ছেলে একদিন অন্যতম ধনী
ব্যক্তি হওয়ার পর পুরো পার্কটি ক্রয় করেন
এবং সেখানে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়েছিলেন,
''আজ থেকে পার্ক সবার জন্য উন্মুক্ত''।

আজ গলা ধাক্কা খেয়েছেন? কোন ব্যাপার না।
একদিন সেই গলায় ফুল দেওয়ার জন্য সেই
লোকগুলোই লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকবে।

আজ কেউ আপনাকে ঠকিয়েছে?
কোন ব্যাপার না।
একদিন সে-ই আপসোস করে বলবে,
আপনাকে ঠকিয়ে সে উল্টো নিজেরই সর্বনাশ করেছে।

আজ আপনাকে দেখে "ক্ষ্যাত" বলে কেউ দূরে সরে যাচ্ছে?
ব্যাপার না।
একদিন আপনাকে একটু ছুঁয়ে দেখার জন্য সে-ই
আপনার কাছে আসবে।

আজ গরিব বলে কেউ আপনাকে অবজ্ঞা করছে? ব্যাপার না।
এসব পিছুগল্পের দিকে তাকিয়ে থাকলে আপনি চিরকাল অপমান, লাথি, গুঁতা, বাঁশ, ক্রাশ ইত্যাদি
খেয়েই যাবেন।

কে কি করছে, কি ভাবছে-সেসব বাদ দিয়ে নিজের লক্ষ্যে এগিয়ে গেলেই কেবল একদিন আপনি উদাহরণ
কিংবা দৃষ্টান্ত হতে পারবেন।

জীবনে ছোট খাট বিষয় নিয়ে পড়ে থাকার কোন মানে হয়না।
জীবনে বেঁচে থাকার জন্য অনেক কিছু করতে হয়, মেনে নিতে হয়।

সময় যখন পক্ষে থাকে না তখন অনেক কিছু সহ্য করেও মুখ বুজে কাজ করে যেতে হয়।

একটু বেঁচে থাকার জন্য জগতের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিরা যুগে যুগে নজরুলের মতো চায়ের দোকানে কাজ করে জীবন বাঁচিয়েছেন।

ব্রেইনে শুধু একটি কথা গেঁথে রাখুনঃ
"সময় এখন অাপনার পক্ষে না।
কিন্তু একদিন সময় আপনার হবে । ইনশাআল্লাহ ।

Wednesday, 7 October 2020




গাহি সাম্যের গান-


মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহিয়ান্‌ ।
নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,
সব দেশে সব কালে ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।-
‘পূজারী দুয়ার খোলো,
ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পূজার সময় হ’ল!’
স্বপন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়,
দেবতার বরে আজ রাজা-টাজা হ’য়ে যাবে নিশ্চয়!
জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কন্ঠ ক্ষীণ
ডাকিল পান’, ‘দ্বার খোল বাবা, খাইনি ক’ সাত দিন!’
সহসা বন্ধ হ’ল মন্দির, ভুখারী ফিরিয়া চলে,
তিমির রাত্রি, পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক জ্বলে!
ভুখারী ফুকারি’ কয়,
‘ঐ মন্দির পূজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয়!’
মসজিদে কাল শির্‌নী আছিল,-অঢেল গোস–র”টি
বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটি কুটি,
এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে আজারির চিন্‌
বলে, ‘ বাবা, আমি ভূখা-ফাকা আমি আজ নিয়ে সাত দিন!’
তেরিয়া হইয়া হাঁকিল মোল্লা-‘ভ্যালা হ’ল দেখি লেঠা,
ভূখা আছ মর গো-ভাগাড়ে গিয়ে! নামাজ পড়িস বেটা?’
ভূখারী কহিল, ‘না বাবা!’ মোল্লা হাঁকিল-‘তা হলে শালা
সোজা পথ দেখ!’ গোস–র”টি নিয়া মসজিদে দিল তালা!
ভুখারী ফিরিয়া চলে,
চলিতে চলিতে বলে-
‘আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু,
আমার ক্ষুধার অন্ন তা ব’লে বন্ধ করনি প্রভু।
তব মস্‌জিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী।
মোল্লা-পুর”ত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী!’
কোথা চেঙ্গিস্‌, গজনী-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়?
ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া-দ্বার!
খোদার ঘরে কে কপাট লাগায়, কে দেয় সেখানে তালা?
সব দ্বার এর খোলা রবে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা!
হায় রে ভজনালয়,
তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয়!
মানুষেরে ঘৃণা করি’
ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি’ মরি’
ও’ মুখ হইতে কেতাব গ্রন’ নাও জোর ক’রে কেড়ে,
যাহারা আনিল গ্রন’-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে,
পূজিছে গ্রন’ ভন্ডের দল! মূর্খরা সব শোনো,
মানুষ এনেছে গ্রন’;-গ্রন’ আনেনি মানুষ কোনো।
আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মাদ
কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,
আমাদেরি এঁরা পিতা-পিতামহ, এই আমাদের মাঝে
তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী ক’রে প্রতি ধমনীতে রাজে!
আমরা তাঁদেরি সন্তান, জ্ঞাতি, তাঁদেরি মতন দেহ,
কে জানে কখন মোরাও অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ।
হেসো না বন্ধু! আমার আমি সে কত অতল অসীম,
আমিই কি জানি-কে জানে কে আছে
আমাতে মহামহিম।

হয়ত আমাতে আসিছে কল্কি, তোমাতে মেহেদী ঈসা,
কে জানে কাহার অন- ও আদি, কে পায় কাহার দিশা?
কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাথি?
হয়ত উহারই বুকে ভগবান্‌ জাগিছেন দিবা-রাতি!
অথবা হয়ত কিছুই নহে সে, মহান্‌ উ”চ নহে,
আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ-দহে,
তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন’ ভজনালয়
ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয়!
হয়ত ইহারি ঔরসে ভাই ইহারই কুটীর-বাসে
জন্মিছে কেহ- জোড়া নাই যার জগতের ইতিহাসে!
যে বাণী আজিও শোনেনি জগৎ, যে মহাশক্তিধরে
আজিও বিশ্ব দেখনি,-হয়ত আসিছে সে এরই ঘরে!
ও কে? চন্ডাল? চম্‌কাও কেন? নহে ও ঘৃণ্য জীব!
ওই হ’তে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব।
আজ চন্ডাল, কাল হ’তে পারে মহাযোগী-সম্রাট,
তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী-পাঠ।
রাখাল বলিয়া কারে করো হেলা, ও-হেলা কাহারে বাজে!
হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে!
চাষা ব’লে কর ঘৃণা!
দে’খো চাষা-রূপে লুকায়ে জনক বলরাম এলো কি না!
যত নবী ছিল মেষের রাখাল, তারাও ধরিল হাল,
তারাই আনিল অমর বাণী-যা আছে র’বে চিরকাল।
দ্বারে গালি খেয়ে ফিরে যায় নিতি ভিখারী ও ভিখারিনী,
তারি মাঝে কবে এলো ভোলা-নাথ গিরিজায়া, তা কি চিনি!
তোমার ভোগের হ্রাস হয় পাছে ভিক্ষা-মুষ্টি দিলে,
দ্বারী দিয়ে তাই মার দিয়ে তুমি দেবতারে খেদাইলে।
সে মার রহিল জমা-
কে জানে তোমায় লাঞ্ছিতা দেবী করিয়াছে কিনা ক্ষ
মা

বন্ধু, তোমার বুক-ভরা লোভ, দু’চোখে স্বার্থ-ঠুলি,

নতুবা দেখিতে, তোমারে সেবিতে দেবতা হ’য়েছে কুলি।
মানুষের বুকে যেটুকু দেবতা, বেদনা-মথিত সুধা,
তাই লুটে তুমি খাবে পশু? তুমি তা দিয়ে মিটাবে ক্ষুধা?
তোমার ক্ষুধার আহার তোমার মন্দোদরীই জানে
তোমার মৃত্যু-বাণ আছে তব প্রাসাদের কোন্‌খানে!
তোমারি কামনা-রাণী
যুগে যুগে পশু, ফেলেছে তোমায় মৃত্যু-বিবরে টানি’।




 শুভ জন্মদিন, 

শুভেচ্ছা তোমায় সারাক্ষণ মুখখানি থাকুক হাসিময়, 

একবিন্দু জলও না আসুক চোখের কোনায় স্বপ্নআঁকা হৃদয়টি থাকুক গতিময়, 

ভালো থাকুক প্রিয়জন সবসময় এই কথা লিখে দিলাম প্রার্থনার খাতায়।