Monday, 2 August 2021

 



শুধু একটি বার বলো ভালোবাসি
তোমাকে আর কোনদিন ভালোবাসতে হবে না।
মরুভূমির তপ্ত বালিতেও পা দিতে হবে না।
আমার জন্য তোমকে নিশি রাতে পা ভিজাতে হবে না।
আকাশ বাতাস শুনুক তোমার প্রতিধ্বনি।
সবাই জানুক কেউ আমাকে ভালোবেসেছিল।
আমার হৃদয়ের ডাকে কেউ সাড়া দিয়েছিলো।
শুধু এতটুকুই আমি চাই, এর চেয়ে বেশি চাই না।
কাছে আসো বা না আসো, তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই।
হৃদয়কে না হয় একটি বার হলেও সান্তনা দিতে পারব
কেউতো অন্তত একটি বার হলেও প্রাণের ছোয়া দিয়েছিল।
কয়েক সেকেন্ডের জন্য হলেও শুকিয়ে যাওয়া নদীতে
আবার ঝড়ের বেগে অশ্রুর বন্যা বয়েছিল।
শুধু এতটুকুই আমি চাই, এর চেয়ে বেশি চাই না।
এর জন্য তুমি কি চাও?
হয়তোবা আমি তোমাকে আকাশের চাঁদটি এনে দিতে পারবোনা
পূর্ব দিকে উঠা সূর্যটিকেও হাতে তুলে দিতে পারবোনা।
কিন্তু পারবো তোমার জন্য আমি রজনীর পর রজনী জেগে থাকতে
পারবো আজীবন তোমার জন্য অপেক্ষা করতে।
হয়তো আমার এই শুন্য হৃদয়ে এক সময় কেউ স্থান করে নিবে
কিন্তু তুমিতো আর আমার হলে না।
কি হবে ভরে এই শুন্য হৃদয় ?
আমি তো চাইনি অন্য কেউ এসে আমার হৃদয়ে গোলাপ ফুটাক
পোড়া মন আবার সতেজ হয়ে উঠুক।
আমি চেয়েছি শুধু তোমার মুখ থেকে একটি বার হলেও
প্রতিধ্বনি হয়ে বেজে উঠুক একটি শব্দ ‘ভালোবাসি’
শুধু এতটুকুই আমি চাই, এর চেয়ে বেশি চাই না।

Saturday, 31 July 2021

মৃতরা কীভাবে বুঝতে পারে যে তারা মারা গেছে?



মৃতরা কীভাবে বুঝতে পারে যে তারা মারা গেছে?





মৃত ব্যক্তি বুঝতে পারে না যে তিনি শুরুতেই মারা গিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে মৃত্যুর স্বপ্ন দেখে মনে করে, সে নিজেকে কাঁদছে, গোসল করছে, নিজেকে কাফনের কাপড়ে বাধছে এবং কবরে নামছে।




যখন তাকে মাটিতে শুয়ে ফেলা হচ্ছে তখনো তিনি সপ্নের ঘোরে থাকেন আর মনে করতে থাকেন এটি একটি সপ্ন। তারপরে সে চিৎকার করে কিন্তু কেউ তার চিৎকার শুনে না।




পরে যখন সবাই তাকে কবরের অন্ধকারে ফেলে চলে যায় আর সে মাটির নিচে একা হয়ে যায়, তখন আল্লাহ তার প্রাণ ফিরিয়ে দেন। সে চোখ খুলে তার "খারাপ স্বপ্ন" থেকে জেগে ওঠে। প্রথমে তিনি খুশি এবং কৃতজ্ঞ হয় এই কারনে যে তিনি যা দেখছিলেন তা কেবল একটি দুঃস্বপ্ন এবং তিনি এখন ঘুম থেকে জেগে আছেন।




(আমরা প্রায়শই এমন সপ্ন দেখে থাকি, যেখানে আমাদের দেহ অসাড় হয়ে যায়, আশেপাশের মানুষজনের কথা বার্তা শুনতে পাই কিন্তু নিজে থেকে ওই অর্ধঘুম থেকে উঠতে পারিনা। তখন আমরা ভাবি, হায়রে কেউ যদি আমাকে কেবল একটু নাড়া দিত বা হাত দিয়ে ধরত তাহলেই তো আমি এই অর্ধচেতন থেকে উঠতে পারতাম। কিন্তু কেউই আসেনা। আমরা নিজেরাই একসময় উঠি। হয় না এমন অনুভূতি?

আচ্ছা এটা কি মৃত্যুর মত কোন একটা অনুভুতি? যদি না উঠতে পারি তখন কি আমরা মৃত হয়ে যাব?)




তারপরে সে তার দেহটি স্পর্শ করতে শুরু করে, যা কেবল একটি সাদা কাপড়ে জড়িয়ে রাখা হয়েছিল, তখন সে অবাক হয়ে বলতে থাকে

"আমার শার্ট কোথায়, আমার প্যান্ট কোথায়?"

তারপরে সে আরো অবাক হয়ে বলতে থাকে "আমি কোথায়, এই জায়গাটি কোথায়, সর্বত্র ময়লা-মাটির গন্ধ কেন, আমি এখানে কী করছি?"




তারপরে সে বুঝতে শুরু করে যে সে ভূগর্ভস্থ এবং তিনি যে অভিজ্ঞতা নিচ্ছেন তা স্বপ্ন নয়!

হ্যাঁ, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি সত্যই মারা গেছেন।




তিনি যতটা সম্ভব উচ্চস্বরে চিৎকার শুরু করতে থাকেন এবং তাঁর স্বজনদের ডাকতে থাকেন যারা তাঁর মতে, তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসবেন:

"উমর .... !!!!"

"ওয়েজা .... !!!!"

"আবদুল্লাহি .... !!!!"

"খাদিজা .... !!!!"

"আয়শা .... !!!!"

"উসমান .... !!!!"

তাকে কেউ উত্তর দিবে না। তারপরে সে মনে করে যে এই মুহুর্তে কেবলমাত্র একমাত্র আশা মহান আল্লাহর কাছে। তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার সময় সে কেঁদে ও মিনতি করেন;

"ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন ইয়া আল্লাহ ... !!!




তিনি একটি অবিশ্বাস্য ভয় নিয়ে চিৎকার করেন যা তাঁর জীবদ্দশায় তিনি এর আগে কখনও অনুভব করেননি।

যদি তিনি একজন ভাল ব্যক্তি হন, হাসি মুখে দুজন ফেরেশতা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য তাকে সর্বোত্তম সেবা করবেন।




আর যদি সে খারাপ লোক হয় তবে দু'জন ফেরেশতা তার ভয় বাড়িয়ে দেবে এবং তার কুরুচিপূর্ণ কাজ অনুসারে তাকে নির্যাতন করবে।




ইয়া আল্লাহ, আমার পাপ এবং আমার মা, পিতা, স্ত্রী, সন্তান এবং আমার পরিবার এবং বন্ধুবান্ধব সকলের পাপ ক্ষমা করুন।

* ইয়া আল্লাহ, যতক্ষণ না আমি আমার সেরা এবং আপনার সাথে দেখা করার জন্য প্রস্তুত না হই ততক্ষণ আমার জীবন গ্রহণ করবেন না। *

ইসলামে ভাই ও বোনেরা, আপনার এখানে দুটি বিকল্প রয়েছে:

এই সামান্য লেখাটি কেবল এখানে পড়ুন এবং মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন ।




এই জ্ঞানটি আপনার বন্ধুদের এবং অন্যান্য পরিচিত মানুষের সাথে ভাগ করুন আর নিজেকে সংশোধন করুন। লজ্জা লাগলে নিজের ওয়ালে অনলি মি দিয়ে দিয়ে রাখুন। আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুক।

আমিন।

Saturday, 9 January 2021

 






রাত তখন অনেক গভীর। পুরো শহর যেন নিঝুম এক পরিবেশে ছেয়ে গেছে। অনেক দুর থেকে একটি পেঁচার শব্দ ভেসে আসছে।

এমন এক নিস্তব্দ পরিবেশে বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়া এক তরুণ ভাবছে তার পরিকল্পনার কথা। একটি স্বপ্নের কথা। বারবার নানান জায়গা থেকে প্রত্যাখাত এই তরুণের মধ্যে কোন হতাশা নেই। সে যেন এক অসীম আত্নবিশ্বাস নিয়ে বুকভরা স্বপ্ন বুনছে।
চীনের ঝি-জিয়াং প্রদেশে জন্ম নেওয়া এই তরুণটির মা-বাবা ছিলেন পেশাদার গল্পবলিয়ে ও সংগীতশিল্পী। অর্থনৈতিক দুর্দশা নিয়েও মা বাবা ছেলেকে ভর্তি করিয়েছিলেন স্কুলে। কিন্তু স্কুলে ভর্তি করালে কি হবে, ছেলের যে গৎবাধা পড়াশোনায় মন নেই। প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া থেকেও সে তখন ইংরেজী শেখার নেশায় বুঁদ। টানা ৯ বছর ধরে প্রায় ৭০ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে পর্যটকদের এলাকা ঘুরিয়ে দেখাতেন শুধু ইংরেজী শিখবেন বলে। উদ্দেশ্য একটাই, তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা পরিবর্তন করা।
ওই বয়সেই সে তিনি বুঝে গিয়েছিলেন, অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য ইংরেজী শেখার বিকল্প নেই। বলছি জায়ান্ট ই-কমার্স কোম্পানী আলীবাবার রুপকার জ্যাক মা’র কথা। জ্যাক’মার এই নামটি অবশ্য জন্মগত ছিলো না। পারিবারিক সুত্রে পাওয়া নাম মা ইউন। পর্যটকদের সাথে কাজ করার সুবাধে একজন পর্যটকের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে যায় তার। তিনিই তাকে জ্যাক মা নামটি দেন। কারণ চায়না এই নামটি ইংরেজদের জন্য উচ্চারণ করা কঠিন ছিলো।
আলীবাবার আগে জ্যাক মা পুরোদস্তুর একজন ব্যর্থ মানুষ ছিলেন। ব্যর্থতার চরম শিখরে এতোটাই অবস্থান করছিলেন যে কলেজে পাশ করতে জ্যাক মা’র প্রায় ৪ বার পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো। ৪বার ফেল করার পর যখন পাশ করে কর্মজীবনে ঢোকা জ্যাক মা ব্যর্থতা যেন হাড়ে হাড়ে টের পেলেন। টানা ৩০টি চাকরীর আবেদন করে প্রত্যেকটিতেই প্রত্যাখাত হলেন। আমেরিকান এক টকশোতে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে জ্যাক মা বলেছিলেন, আমি যখন পুলিশের জন্য চাকরী করলাম তখন ১০ জনের মধ্যে ৯ জনের চাকরী হলো কিন্তু আমাকে বলা হলো ‘তুমি উপযুক্ত নও’।
আমার শহরে যখন কেএফসি আসলো আমরা ২৪ তখন আবেদন করেছিলাম। ২৩ জনের চাকরী হলো, বাদ পড়লাম শুধু আমি। হার্ভাডে আমি ১০বার আবেদন করেও প্রত্যাখাত হয়েছিলাম তখন মনে হয়েছিলো ‘হয়তো একদিন আমি হার্ভাডে লেকচার দিব’।
ই-কমার্স বিজনেস শুরু করার আগে জ্যাক মা তার ২৪ বন্ধুকে বাসায় ডাকেন আইডিয়া শেয়ার করার জন্য কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত ২৪ জনের ২৩জনই তার আইডিয়াকে তাচ্ছিল্যের সাথে উড়িয়ে দেন। চার চারবার পরীক্ষায় ফেল, ৩০টিরও বেশী চাকরীতে প্রত্যাখাত সাথে বন্ধুদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য- এরপরও কিন্তু তিনি দমে যাননি। তিনি কম্পিউটার চালাতেও জানতেন না, ইন্টারনেট কি জিনিস তা ভালোভাবে বুঝতেন না কিন্তু তিনি এটা বুঝেছিলেন যে এই জিনিসই একদিন পৃথিবীকে নতুন করে চলতে শেখাবে।
একটি সাক্ষাৎকারে জ্যাক মা বলছিলেন, প্রথম যেদিন আমরা ওয়েবসাইট শুরু করি তখন আমার বেশ কিছু বন্ধুবান্ধব এবং টিভিসাংবাদিককে দাওয়াত করেছিলাম। খুবই ধীরগতির ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটটির অর্ধেক লোড নিতেই প্রায় ৩ ঘন্টা সময় নিয়েছিলো। ওই সময়টায় আমরা খাওয়াদাওয়া ও গল্প করেই কাটিয়েছিলাম কিন্তু আমি খুব গর্বিত ছিলাম। কারণ আমি ওদের কাছে এটা প্রমাণ করতে পেরেছিলাম যে ইন্টারনেট সত্যিই কাজ করে।
আমরা সবাই আলীবাবা ও ৪০ চোরের কাহিনী জানি। ছোটবেলায় যখনও জ্যাক মা’র ব্যাপারে জানতাম না ঠিক তখনোও আমি বাংলাদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে বসেও আলীবাবা ও তার চোরদের কাহিনী পড়েছিলাম। আলীবাবা নামটির নামকরণ করতে গিয়ে জ্যাক মা বলেন, ইন্টারনেট যেহেতু সারাবিশ্বে চলছে সেজন্য আমাদের ওয়েবসাইটের নামও এমন কিছু হওয়া উচিৎ যা সবাই খুব সহজে চিনবে ও জানবে।
সেই সময়ে সার্চ ইঞ্জিন ইয়াহু ছিলো সেরা একটি নাম- আমি এরকম একটি নাম খুঁজছিলাম। একদিন মনে হলো আলীবাবা নামটি ভালো হতে পারে।
সৌভাগ্যই বলতে হবে, চিন্তাটি মাথায় আসার পর তখন আমি এক হোটেলে খাবার খাচ্ছিলাম। ওয়েটার খাবার সার্ভ করতে এলে তাকে বললাম আলীবাবা চেনে কিনা। সে বললো চিনে। আমি বললাম কি? সে বললো- চিচিং ফাক। দারুণ ব্যাপার!
জ্যাক মা’র এসব উদ্যোগকে সেই সময়ে পাগলামো হিসেবে দেখা হচ্ছিলো। এমনকি একটি প্রত্রিকায় তো ‘ক্রেজি জ্যাক’ বা ‘পাগল জ্যাক’ হিসেবেও নামকরণ করেছিলো। এই পাগল জ্যাকই তার সফল উদ্যোগের জন্য মাত্র একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট দিয়েই বর্তমানে প্রায় ৪০ বিলিয়ন সম্পদের মালিক।
বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে তরুণ ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য জ্যাক মা সবচেয়ে বড় একটি উপমা হতে পারে। বারবার ব্যর্থতায় গ্রাস করা মানুষটিই পৃথীবীর সবচেয়ে কোম্পানীগুলোর একটি তৈরী করেছিলেন। হার্ভাডে প্রায় ১০ বার প্রত্যাখাত হয়ে নিজের মাকে বলেছিলেন ‘ওখানে পড়ার সুযোগ হয়তো পাইনি কিন্তু একদিন আমি ওখানে লেকচার দিব।’ হয়েছিলোও তাই।
ই-কমার্স ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্ট নিয়ে কাজ করার সময় আমরা আমাদের ক্লায়েন্টদের জ্যাক মাকে অনুসরণ করতে বলি। কারণ হতাশ হয়ে বন্ধ করে দিলেই একটি সুদূরপ্রসারী ভবিষ্যতও বন্ধ হয়ে যায়। স্বপ্ন দেখার সময় ব্যর্থ হলে অন্যরা যখন সাহসই হারিয়ে ফেলেন তখন জ্যাক মা ঘুরে দাড়িয়েছেন বারবার। আর এখানেই তার সাথে অন্যদের পার্থক্য। তাই স্বপ্ন দেখুন, লেগে থাকুন। আপনার স্বপ্নের সাথে লেগে থাকলে সফলতা আসবেই।
আপনার অনলাইনের বিজেনেসের যেকোন ধরনের কনসাল্টেন্সি পেতে জানাতে পারেন, বিনা পারিশ্রমিকে সঠিক গাইডলাইন ও টেকনিক্যাল সাপোর্ট সবসময়ই আপনার পাশে থাকবে।

Wednesday, 28 October 2020


 কত লোক তা হিসেব করার দরকার নেই....



 রাতের আকাশে যদি চাঁদ না থাকে,

তাহলে বলো আকাশ কেমন করে হাসবে,
আমার মনের সীমানায়
তুমি যদি না থাকো,
আমার মন কি ভালো থাকবে?


 স্বপ্ন দেখা কারো ভাগ্যের ব্যাপার নয়,

স্বপ্ন দেখাটা আপনার জন্মগত অধিকার

 

চাকরি ছেড়ে ব্যবসা:-
চাকরি ছেড়ে ব্যবসা শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই নিশ্চিত হবেন !!!
একটি নিশ্চিন্ত নিরাপদ জীবন ছেড়ে, আরও বড় সাফল্যের আশায় অনিশ্চয়তার পথে পা বাড়ানো নি:সন্দেহে একটি সাহসী কাজ। এই সাহস করার কথা ভাবতেই পারে পৃথিবীর অল্প কিছু মানুষ। এবং আপনি যদি তাঁদের একজন হন, তবে বলাই যায় আপনি একজন অসাধারন মানুষ।
একটি নতুন উদ্যোগের ফলাফল কেমন হবে তার অনেকটাই সেই ব্যবসায় পুরোপুরি নিয়োজিত হওয়ার আগেই বোঝা যায়। যদি অবস্থা ভালো মনে হয়, তবে আপনি আপনার চাকরির নিরাপত্তা ছেড়ে স্বাধীন ব্যবসার চ্যালেঞ্জে ঝাঁপিয়ে পড়তেই পারেন।
কিন্তু কিভাবে বুঝবেন যে এখন চাকরী ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি ব্যবসায় নামার সময় হয়েছে?
এক্ষেত্রে নিচের ১১টি বিষয় নিশ্চিত হয়ে তবেই চাকরী ছাড়ুন:

১. একটি সত্যিকার ভালো পন্য বা সার্ভিস আপনার হাতে আছে।
০২. আপনার সত্যিকার ক্রেতা সৃস্টি হয়েছে
০৩. দীর্ঘ সময় ব্যবসা চালিয়ে নেয়ার মত মূলধন আপনার কাছে জমা আছে
০৪. চাকরির চেয়ে ব্যবসাটি বেশি উপভোগ করছেন
০৫. নিশ্চিত হোন যে আপনার পেছনে কোনও বড় প্রতিযোগী লাগেনি
০৬. নিশ্চিত হয়ে নিন ব্যবসাটি ৩ থেকে ৫ বছর টিঁকে থাকবে
০৭. নিশ্চিত হয়ে নিন আপনি সত্যিই “নিজেই নিজের বস” হতে পেরেছেন
০৮. আপনি আপনার কাজের ক্ষেত্রে একজন মাস্টারে পরিনত হয়েছেন
০৯. আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রটিতে আপনার পর্যাপ্ত বন্ধু ও শুভাকাঙ্খী আছে
১০. প্রয়োজনে পরামর্শ দেয়ার জন্য ‘গুরু’ এবং পরামর্শক আপনার আছে
১১. চাপ ও আঘাত সামলানোর মত যথেষ্ঠ মানসিক দৃঢ়তা আপনি অর্জন করেছেন


Thursday, 22 October 2020


 B.P. RAJA CHUWDHORY: B.P. RAJA CHUWDHORY (bprajachuwdhory.blogspot.com)


এক সময় বিল গেটস একটি ব্যাংক থেকে কিছু লোন চেয়েছিলেন।

কিন্তু ব্যাংক তাঁকে লোন দেয়নি।
সেই ছেলেটি একদিন সেই ব্যাংকটিই কিনে নিয়েছিলেন।

ছেঁড়া শার্টের কারণে এন্ড্রু কার্নেগিকে পার্কে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
সেই বস্তির ছেলে একদিন অন্যতম ধনী
ব্যক্তি হওয়ার পর পুরো পার্কটি ক্রয় করেন
এবং সেখানে সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়েছিলেন,
''আজ থেকে পার্ক সবার জন্য উন্মুক্ত''।

আজ গলা ধাক্কা খেয়েছেন? কোন ব্যাপার না।
একদিন সেই গলায় ফুল দেওয়ার জন্য সেই
লোকগুলোই লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকবে।

আজ কেউ আপনাকে ঠকিয়েছে?
কোন ব্যাপার না।
একদিন সে-ই আপসোস করে বলবে,
আপনাকে ঠকিয়ে সে উল্টো নিজেরই সর্বনাশ করেছে।

আজ আপনাকে দেখে "ক্ষ্যাত" বলে কেউ দূরে সরে যাচ্ছে?
ব্যাপার না।
একদিন আপনাকে একটু ছুঁয়ে দেখার জন্য সে-ই
আপনার কাছে আসবে।

আজ গরিব বলে কেউ আপনাকে অবজ্ঞা করছে? ব্যাপার না।
এসব পিছুগল্পের দিকে তাকিয়ে থাকলে আপনি চিরকাল অপমান, লাথি, গুঁতা, বাঁশ, ক্রাশ ইত্যাদি
খেয়েই যাবেন।

কে কি করছে, কি ভাবছে-সেসব বাদ দিয়ে নিজের লক্ষ্যে এগিয়ে গেলেই কেবল একদিন আপনি উদাহরণ
কিংবা দৃষ্টান্ত হতে পারবেন।

জীবনে ছোট খাট বিষয় নিয়ে পড়ে থাকার কোন মানে হয়না।
জীবনে বেঁচে থাকার জন্য অনেক কিছু করতে হয়, মেনে নিতে হয়।

সময় যখন পক্ষে থাকে না তখন অনেক কিছু সহ্য করেও মুখ বুজে কাজ করে যেতে হয়।

একটু বেঁচে থাকার জন্য জগতের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিরা যুগে যুগে নজরুলের মতো চায়ের দোকানে কাজ করে জীবন বাঁচিয়েছেন।

ব্রেইনে শুধু একটি কথা গেঁথে রাখুনঃ
"সময় এখন অাপনার পক্ষে না।
কিন্তু একদিন সময় আপনার হবে । ইনশাআল্লাহ ।

Wednesday, 7 October 2020




গাহি সাম্যের গান-


মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহিয়ান্‌ ।
নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,
সব দেশে সব কালে ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।-
‘পূজারী দুয়ার খোলো,
ক্ষুধার ঠাকুর দাঁড়ায়ে দুয়ারে পূজার সময় হ’ল!’
স্বপন দেখিয়া আকুল পূজারী খুলিল ভজনালয়,
দেবতার বরে আজ রাজা-টাজা হ’য়ে যাবে নিশ্চয়!
জীর্ণ-বস্ত্র শীর্ণ-গাত্র, ক্ষুধায় কন্ঠ ক্ষীণ
ডাকিল পান’, ‘দ্বার খোল বাবা, খাইনি ক’ সাত দিন!’
সহসা বন্ধ হ’ল মন্দির, ভুখারী ফিরিয়া চলে,
তিমির রাত্রি, পথ জুড়ে তার ক্ষুধার মানিক জ্বলে!
ভুখারী ফুকারি’ কয়,
‘ঐ মন্দির পূজারীর, হায় দেবতা, তোমার নয়!’
মসজিদে কাল শির্‌নী আছিল,-অঢেল গোস–র”টি
বাঁচিয়া গিয়াছে, মোল্লা সাহেব হেসে তাই কুটি কুটি,
এমন সময় এলো মুসাফির গায়ে আজারির চিন্‌
বলে, ‘ বাবা, আমি ভূখা-ফাকা আমি আজ নিয়ে সাত দিন!’
তেরিয়া হইয়া হাঁকিল মোল্লা-‘ভ্যালা হ’ল দেখি লেঠা,
ভূখা আছ মর গো-ভাগাড়ে গিয়ে! নামাজ পড়িস বেটা?’
ভূখারী কহিল, ‘না বাবা!’ মোল্লা হাঁকিল-‘তা হলে শালা
সোজা পথ দেখ!’ গোস–র”টি নিয়া মসজিদে দিল তালা!
ভুখারী ফিরিয়া চলে,
চলিতে চলিতে বলে-
‘আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু,
আমার ক্ষুধার অন্ন তা ব’লে বন্ধ করনি প্রভু।
তব মস্‌জিদ মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবী।
মোল্লা-পুর”ত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবী!’
কোথা চেঙ্গিস্‌, গজনী-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়?
ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া-দ্বার!
খোদার ঘরে কে কপাট লাগায়, কে দেয় সেখানে তালা?
সব দ্বার এর খোলা রবে, চালা হাতুড়ি শাবল চালা!
হায় রে ভজনালয়,
তোমার মিনারে চড়িয়া ভন্ড গাহে স্বার্থের জয়!
মানুষেরে ঘৃণা করি’
ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি’ মরি’
ও’ মুখ হইতে কেতাব গ্রন’ নাও জোর ক’রে কেড়ে,
যাহারা আনিল গ্রন’-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে,
পূজিছে গ্রন’ ভন্ডের দল! মূর্খরা সব শোনো,
মানুষ এনেছে গ্রন’;-গ্রন’ আনেনি মানুষ কোনো।
আদম দাউদ ঈসা মুসা ইব্রাহিম মোহাম্মাদ
কৃষ্ণ বুদ্ধ নানক কবীর,-বিশ্বের সম্পদ,
আমাদেরি এঁরা পিতা-পিতামহ, এই আমাদের মাঝে
তাঁদেরি রক্ত কম-বেশী ক’রে প্রতি ধমনীতে রাজে!
আমরা তাঁদেরি সন্তান, জ্ঞাতি, তাঁদেরি মতন দেহ,
কে জানে কখন মোরাও অমনি হয়ে যেতে পারি কেহ।
হেসো না বন্ধু! আমার আমি সে কত অতল অসীম,
আমিই কি জানি-কে জানে কে আছে
আমাতে মহামহিম।

হয়ত আমাতে আসিছে কল্কি, তোমাতে মেহেদী ঈসা,
কে জানে কাহার অন- ও আদি, কে পায় কাহার দিশা?
কাহারে করিছ ঘৃণা তুমি ভাই, কাহারে মারিছ লাথি?
হয়ত উহারই বুকে ভগবান্‌ জাগিছেন দিবা-রাতি!
অথবা হয়ত কিছুই নহে সে, মহান্‌ উ”চ নহে,
আছে ক্লেদাক্ত ক্ষত-বিক্ষত পড়িয়া দুঃখ-দহে,
তবু জগতের যত পবিত্র গ্রন’ ভজনালয়
ঐ একখানি ক্ষুদ্র দেহের সম পবিত্র নয়!
হয়ত ইহারি ঔরসে ভাই ইহারই কুটীর-বাসে
জন্মিছে কেহ- জোড়া নাই যার জগতের ইতিহাসে!
যে বাণী আজিও শোনেনি জগৎ, যে মহাশক্তিধরে
আজিও বিশ্ব দেখনি,-হয়ত আসিছে সে এরই ঘরে!
ও কে? চন্ডাল? চম্‌কাও কেন? নহে ও ঘৃণ্য জীব!
ওই হ’তে পারে হরিশচন্দ্র, ওই শ্মশানের শিব।
আজ চন্ডাল, কাল হ’তে পারে মহাযোগী-সম্রাট,
তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী-পাঠ।
রাখাল বলিয়া কারে করো হেলা, ও-হেলা কাহারে বাজে!
হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে!
চাষা ব’লে কর ঘৃণা!
দে’খো চাষা-রূপে লুকায়ে জনক বলরাম এলো কি না!
যত নবী ছিল মেষের রাখাল, তারাও ধরিল হাল,
তারাই আনিল অমর বাণী-যা আছে র’বে চিরকাল।
দ্বারে গালি খেয়ে ফিরে যায় নিতি ভিখারী ও ভিখারিনী,
তারি মাঝে কবে এলো ভোলা-নাথ গিরিজায়া, তা কি চিনি!
তোমার ভোগের হ্রাস হয় পাছে ভিক্ষা-মুষ্টি দিলে,
দ্বারী দিয়ে তাই মার দিয়ে তুমি দেবতারে খেদাইলে।
সে মার রহিল জমা-
কে জানে তোমায় লাঞ্ছিতা দেবী করিয়াছে কিনা ক্ষ
মা

বন্ধু, তোমার বুক-ভরা লোভ, দু’চোখে স্বার্থ-ঠুলি,

নতুবা দেখিতে, তোমারে সেবিতে দেবতা হ’য়েছে কুলি।
মানুষের বুকে যেটুকু দেবতা, বেদনা-মথিত সুধা,
তাই লুটে তুমি খাবে পশু? তুমি তা দিয়ে মিটাবে ক্ষুধা?
তোমার ক্ষুধার আহার তোমার মন্দোদরীই জানে
তোমার মৃত্যু-বাণ আছে তব প্রাসাদের কোন্‌খানে!
তোমারি কামনা-রাণী
যুগে যুগে পশু, ফেলেছে তোমায় মৃত্যু-বিবরে টানি’।




 শুভ জন্মদিন, 

শুভেচ্ছা তোমায় সারাক্ষণ মুখখানি থাকুক হাসিময়, 

একবিন্দু জলও না আসুক চোখের কোনায় স্বপ্নআঁকা হৃদয়টি থাকুক গতিময়, 

ভালো থাকুক প্রিয়জন সবসময় এই কথা লিখে দিলাম প্রার্থনার খাতায়।


Saturday, 29 February 2020




যদি মন কাঁদে তুমি চলে এসো
চলে এসো এক বরষায়
এসো ঝরো ঝরো বৃষ্টিতে জল ভরা দৃষ্টিতে
এসো কমলো শ্যামলো ছায়
চলে এসো এক বরষায়
যদিও তখনো আকাশ থাকবে বৈরি
কদমও গুচ্ছ হাতে নিয়ে আমি তৈরী
উতলা আকাশ মেঘে মেঘে হবে কালো
ঝলকে ঝলকে নাচিবে বজলি আলো
তুমি চলে এসো
চলে এসো এক বরষায়
নামিবে আঁধার বেলা ফুরাবার পরে
মেঘমল্লার বৃষ্টিরো মনে মনে
কদমও গুচ্ছ খোপায় জড়ায়ে নিয়ে
জল ভরা মাঠে নাচিব তোমায় নিয়ে
চলে এসো

তুমি চলে এসো এক বরষায় ।